বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৬ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ফুরিয়ে যাওয়ায় পিছু হটছেন ট্রাম্প

প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ফুরিয়ে যাওয়ায় পিছু হটছেন ট্রাম্প

ঢাকা: ইরান যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যেতে পারে এমন আশঙ্কায় দেশটির সঙ্গে সংঘাতকে আরও বাড়াতে চাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে এ কথা জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

কর্মকর্তাদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে হোয়াইট হাউসের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল মার্কিন প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি। বিশেষ করে জর্ডানে তিন জন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পর এটি নতুন করে আলোচনায় আসে।

ওই হামলায় ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছিল। কিন্তু মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রতিহত করতে পারেনি। এতে ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। আর তিন মার্কিন সেনা প্রাণ হারান।

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের সূত্র অনুযায়ী, মার্কিন জেনারেল ড্যান কেইন বলেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে ফিরে যাওয়া সম্ভব, তবে এতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের জন্য থাকা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।

হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চিয়াং দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ট্রাম্প সবসময়ই বলে আসছেন যে তিনি একটি কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দেন। তবে ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে বা মিত্রদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়, তাহলে তিনি সব ধরনের বিকল্প খোলা রাখবেন।

চিয়াং আরও বলেন, ইরানের জন্য আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতার দিকে এগিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে; অন্যথায়, তারা জানে কী ঘটবে।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে আবার বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করলে তা তাদেরকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনবে না। নতুন করে বড় ধরনের হামলা হলে তার ফল উল্টো হতে পারে।

দুটি সূত্রের দাবি, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের মধ্যে প্রায় কেউই ইরানের বিরুদ্ধে আরও বড় পরিসরের সামরিক অভিযানকে এই মুহূর্তে বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত বলে মনে করেননি।

জেএফজে

শেয়ার করুন

এখনই

আরো পড়ুন