ঢাকা: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এর আগে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছিলেন, আগামী সপ্তাহেই তেহরানের বিরুদ্ধে এমন কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি।
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ওয়াশিংটন নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়িয়েছে। সামুদ্রিক পরিবহন, জ্বালানি ও আর্থিক খাতের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধও শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক হাজারের বেশি ব্যক্তি, জাহাজ ও উড়োজাহাজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্য ছিল ইরানের তেল পরিবহনে ব্যবহৃত গোপন নৌবহর, জাহাজের বিমা প্রতিষ্ঠান, অস্ত্র সংগ্রহে সহায়তাকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন ডিজিটাল মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা।
এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে যুক্ত প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি জব্দ বা আটকে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে আরও কয়েকটি পথ খোলা রয়েছে।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থনের অভিযোগে ১৯৭০-এর দশকের শেষ দিক থেকেই দেশটির ওপর নানা নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
জেএন



