ঢাকা: গাজায় ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ রোববার (২ আগস্ট) ভোর থেকে গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বিমান ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে একদিনে এটিই সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা।
গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলের আল-সুসি টাওয়ারে একটি আবাসিক ভবনে বিমান হামলায় আবদুল্লাহ আবু তাইফ (৩৩), তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আবির আনান (২৯) এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে আজ্জাম নিহত হন।

আল-কারারা এলাকায় একটি বাড়িতে হামলায় আল-হামস পরিবারের তিন সদস্য মাহমুদ আল-হামস (৩৮), তার স্ত্রী ফাতিমা (৩৭) ও তাদের কন্যাশিশু নিহত হন। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকায় নিজ বাড়িতে হামলায় কামাল আবু মুয়াইলিক (৬৮) ও তার স্ত্রী হুদা আবু মুয়াইলিক (৫৯) নিহত হন। একই এলাকায় মোটরসাইকেলে থাকা দুই ভাইও পৃথক হামলায় প্রাণ হারান।
এ ছাড়া উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে একজন, আল-মাওয়াসি এলাকায় একটি তাঁবুতে হামলায় একজন এবং গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলের রেমাল এলাকায় বাস্তুচ্যুতদের তাঁবুতে ড্রোন হামলায় দুইজন নিহত হন।
গাজা সিটিতে একটি গাড়িতে হামলায় আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে শনিবার দেইর আল-বালাহর আল-আকসা শহীদ হাসপাতালের ওষুধের গুদামে হামলা চালায় ইসরায়েল।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ বলেন, ওষুধের মজুত ধ্বংস করে ‘চিকিৎসা ও রোগকেই যুদ্ধের অস্ত্রে’ পরিণত করা হচ্ছে। হামলায় দুটি গুদাম ধ্বংস এবং আরও দুটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জেএফজে



