ঢাকা: নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৬৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ২ হাজার ৪০০ জনের বেশি। নিখোঁজদের মধ্যে ৩২০ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন বলে জানিয়েছে নেপাল পর্যটন বোর্ড।
ভয়াবহ এ দুযোর্গের ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পর আজ রোববার (৩০ আগস্ট) পঞ্চম দিনেও জোরালোভাবে চলছে উদ্ধার অভিযান। নিখোঁজদের উদ্ধারে ১৮ হাজার ৭০০-এর বেশি উদ্ধারকর্মী কাজ করছেন।
স্থানীয় কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় সড়ক, সেতু ও যোগাযোগব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দুর্গম এলাকাগুলোতে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তার মধ্যেও দুর্গম এলাকায় এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। নিখোঁজদের সন্ধানে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য উদ্ধারকারী দল কাজ করছে।

চীনের তিব্বত অংশেও বন্যার ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সেখানে সরকারি হিসাবে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫৫৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
বন্যার পর সীমান্তবর্তী এলাকায় একটি নতুন হ্রদ তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। হ্রদটির পানি উপচে পড়লে নতুন করে বন্যা হতে পারে বলে উদ্বেগ ছিল। তবে চীনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে ওই হ্রদের পানির স্তর কমতে শুরু করেছে।
এদিকে উদ্ধারকারীরা দুর্গত এলাকায় আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মীদের সন্ধানে জোর দেওয়া হচ্ছে। দুর্গম পাহাড়ি ভূখণ্ড, কাদামাটি ও ধ্বংসস্তূপের কারণে উদ্ধারকাজে বড় ধরনের বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের ধারণা, একটি হিমবাহ ধসে পড়ার কারণে এই ভয়াবহ পানির স্রোত সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।
জেএন



