মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৪ঠা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

সামরিক অভিযান জোরদার করার হুমকি ইরানের

সামরিক অভিযান জোরদার করার হুমকি ইরানের

ঢাকা: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার আলোচনা থেমে যাওয়ায় আবারও সামরিক অভিযান জোরদার করার হুমকি দিয়েছে তেহরান।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা বলেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে ইরান ‘পুরোপুরি আক্রমণাত্মক’ অবস্থানে যাবে। ফলে হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা বাড়তে পারে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার আলোচনা এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ—দুটিই এখন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জুনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। এতে পারমাণবিক কর্মসূচি ও মার্কিন নিষেধাজ্ঞাসহ বিভিন্ন বিষয়ে একটি বিস্তৃত চুক্তিতে পৌঁছাতে দুই দেশকে ৬০ দিনের সময় দেওয়া হয়।

ওই সমঝোতায় সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান ‘তাৎক্ষণিক ও স্থায়ীভাবে বন্ধের’ কথা বলা হয়েছিল। তবে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জেরে চুক্তিটি দ্রুত ভেঙে পড়ে।

অন্যদিকে, জুনে হওয়া অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র রাজি নয় বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

এদিকে কূটনৈতিক উদ্যোগের একটি সম্ভাবনার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ শুরু করেছে।

মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়, সাবেক মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসি গ্যাবার্ড আইআরজিসির ঘনিষ্ঠ এক ইরাকি কুর্দি নেতার সঙ্গে কথা বলেছেন।

ওই মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আইআরজিসির কমান্ডার জেনারেল আহমাদ ভাহিদির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বার্তা পৌঁছানো হয়েছে।

ফক্স নিউজ পরে জানায়, টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পও ওই যোগাযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ট্রাম্পের জামাতা ও বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনার সোমবার ফক্স নিউজকে বলেন, ইরান সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা সম্ভবত আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন বেশি সক্রিয়।

জেএন

শেয়ার করুন

এখনই

আরো পড়ুন