বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৫ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি; যথাসময়ে ভোটের সময় জানানো হবে: সিইসি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি; যথাসময়ে ভোটের সময় জানানো হবে: সিইসি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে, দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি; যথাসময়ে ভোটের সময় জানানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বেলা ১১টায় সংসদ ভবনে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে সংসদ ভবনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও তাহমিদা আহমদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এসময় সংসদ সচিব ও সংসদ সচিবালয় সচিবও ছিলেন সেখানে।

বৈঠক শেষে সিইসি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে পরামর্শক্রমে দিনক্ষণ ঠিক করার কথা বলা আছে। সেজন্য ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতে প্রাথমিকভাবে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এটি চূড়ান্ত হলে জানানো হবে। জাতীয় সংসদ অধিবেশনে থাকলে এ নির্বাচন একভাবে হবে আর না থাকলে আরেক ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত রয়েছে। কমিশন সভায় আলোচনা করে পরবর্তী করণীয় ঠিক করবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। সংসদ সচিবালয় এ নির্বাচনের ভোটার তালিকা দেবে। এজন্য নির্বাচন কমিশন চিঠিও দিয়েছে।

নাসির উদ্দিন জানান, নির্বাচন কমিশন এবার ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১’ অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা করে ইসি। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার হন সংসদ সদস্যরা। সিইসি থাকেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ‘নির্বাচনি কর্তা’।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করলে তাতে মনোনয়নপত্র জমা, বাছাই, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও ভোটের তারিখ ও স্থান থাকবে; সিইসির কার্যালয়ে এসব কাজ হবে। তবে ভোটের স্থান হবে সংসদ কক্ষ।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজনকে সমর্থক হতে হবে। প্রার্থীর নিজেরও সম্মতিসূচক স্বাক্ষর থাকতে হবে।

সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর ১৯৯১ সালে একাধিক প্রার্থী হওয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একবারই সংসদের কক্ষে ভোট করতে হয়েছিল। পরে প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দল মনোনীত প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

সংসদের অধিবেশন না থাকলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন হলে স্পিকার সাত দিন আগে বৈঠক আহ্বান করতে পারেন।

জেপি/এএস

শেয়ার করুন

এখনই

আরো পড়ুন